খেজুরের পাটালি গুড় (Khejur Patali Gur)

400.00৳ 

খেজুরের পাটালি গুড় (Khejur Patali Gur)

  • প্রাকৃতিক উপায়ে সংগৃহকৃত খেজুরের রস থেকে তৈরি করা হয়।
  • ১০০% বিশুদ্ধ এবং চিনি বা অন্যান্য কেমিক্যাল মুক্ত।
  • পন্য পছন্দ না হলে বা পন্যে সমস্যা থাকলে মানিব্যাক গ্যারান্টি।

Description

খেজুরের পাটালি গুড় (Khejur Patali Gur)

খেজুর গাছ থেকে নির্গত সুস্বাদু রস থেকে খেজুর গুড় তৈরি হয়। অগ্রহায়ণ মাস থেকে শুরু করে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত খেজুরের রস সংগ্রহ করা হয়ে থাকে এবং সে রসকে ঘন ও শক্ত পাটালিগুড়ে পরিণত করা হয়।

বৃহত্তর রাজশাহীর চারঘাট, যশোর ও ফরিদপুর জেলা, নদীয়া জেলার কিছু অংশ, বশিরহাট ও সাতক্ষীরা মহকুমায় এবং চবিবশ পরগনায় ব্যাপকভাবে খেজুর গাছের চাষ হয় এবং কিছুটা হয় ফরিদপুর অঞ্চলে। এখনও মূলত এসব এলাকাতেই খেজুরের গুড় বেশি উৎপাদিত হলেও বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলেই কিছু কিছু খেজুর গুড় পাওয়া যায়।

সারা মৌসুমে রস আহরণকে ৬ দিন করে কয়েকটি পর্বে ভাগ করে নেওয়া হয়। প্রথম রাতের রসকে বলা হয় জিড়ান, যা গুণে ও মানে সর্বোৎকৃষ্ট এবং পরিমাণেও সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় দিন বিকালে ওই গাছের কাটা অংশটুকু (চোখ) পরিষ্কার করা হয় এবং ওই রাত্রের নির্গত রসকে বলা হয় দোকাট। তবে তা জিড়ান-এর মতো সুস্বাদু কিংবা মিষ্টি নয় এবং পরিমাণেও হয় কম। তৃতীয় রাত্রের প্রাপ্ত রসকে বলা হয় ঝরা। ঝরা রস দোকাটের চেয়েও পরিমাণে কম এবং তা কম মিষ্টি ও অনেক ক্ষেত্রে টক স্বাদযুক্ত। পরবর্তী তিনদিন গাছকে অবসর দেওয়া হয়। এরপর আবার নতুন করে চাঁছা (কাটা) ও রস সংগ্রহের পালা শুরু হয়।

খাঁটি গুড় চেনার উপায়?
> খাঁটি গুড়ের পাটালি সাধারণত কম শক্ত হয়।
> পাটালি তুলনামুলক বেশী গাঢ় রঙ্গের হয়ে থাকে।
> ভেজাল গুড়ে চিনি, ফিটকিরি, ক্ষতিকারক হাইড্রোজ ইত্যাদি মেশানোর জন্য বেশী শক্ত এবং অনেকটা সাদা রঙ্গের হয়ে থাকে।
> খাঁটি গুড়ের পাটালি অল্প দিনে এবং বেশি তাপমাত্রায় গলে য়ায়।

চলুন জেনে নিই খেজুরের গুড়ের বহুবিধ উপকারিতা সম্পর্কে-

১. এ গুড় শরীরে তাপ উৎপাদন করে এবং দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
২. এতে রয়েছে উচ্চমানের ক্যালোরিফিক যা শরীর উষ্ণ রাখে এবং শক্তি যোগায়।
৩. ক্ষতিকর অনুজীব বৃদ্ধি হ্রাস করতে সাহায্য করে এটি।
৪. খেজুরের গুড়ে থাকে নানা খনিজ উপাদান। যেমন- লৌহ, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, সেলেনিয়াম ও পটাশিয়াম। এ উপাদানগুলো রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সংক্রমণ দূরে রাখে।
৫. গলার সমস্যা যেমন- কফ, গলাব্যথা, ফোলা বা খুসখুস দূর করতে সাহায্য করে এটি।
৬. শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা যেমন- কাশি বা বুকে কফ জমাট বাঁধা, রক্ত প্রবাহে সমস্যা কমাতে সাহায্য করে এ গুড়।
৭. নিয়মিত খেলে রক্ত পরিষ্কার হয়।
৮. খেজুরের গুড় রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
৯. এটি পাকস্থলী, অন্ত্র, ফুসফুস ও খাদ্যনালী সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
১০. শীতের শুষ্ক, ঠাণ্ডা আবহে জীবাণুর হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে এ গুড় অত্যন্ত কার্যকরী।
১১. এতে বিদ্যমান পটাশিয়াম, সোডিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
১২. খাওয়ার পর এক চামচ এ গুড় খান, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে মুক্তি মিলবেই।
১৩. ঠাণ্ডা লাগা কিংবা সর্দিতে কুসুম গরম পানিতে এটি মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশি ভালো হয়।
১৪. খেজুরের গুড়ে রয়েছে এলার্জি বিরোধী উপাদান যা দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। হাঁপানি থাকলে সেরে যায়।
১৫. গরমকালে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এ গুড়ের শরবতের বিকল্প নেই।
১৬. এটি খেলে এনার্জি পাবেন চটজলদি।
১৭. লিভার থেকে দূষিত পদার্থ বের করে সূস্হ রাখতে সাহায্য করে ন্যাচারাল এ ফুড।

Additional information

Weight

1 KG

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “খেজুরের পাটালি গুড় (Khejur Patali Gur)”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

X